
গোলাম মোস্তফা।
কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহীর মনোনয়নপত্র অবৈধভাবে বাতিল করায় এলাকায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া ও জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ ভোটারদের পাশাপাশি রাজনৈতিক সচেতন মহল এ সিদ্ধান্তকে রহস্যজনক ও পক্ষপাতদুষ্ট বলে মনে করছেন।
প্রাপ্ত তথ্যমতে, সকল আইনগত শর্ত ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করে ব্যারিস্টার সালেহী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এরপরও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্ত আসে, যা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে।
এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী বলেন,
“আমি সম্পূর্ণ আইন মেনে, প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র সংযুক্ত করে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। তারপরও আমার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। এতে মনে হচ্ছে ডিসি মহোদয় হয় বিষয়টি সঠিকভাবে অনুধাবন করতে পারেননি, অথবা কারো প্রভাবে বায়াস হয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।”
তিনি আরও বলেন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত নির্বাচনী পরিবেশকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ওপর মানুষের আস্থা নষ্ট করে। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানান।
এদিকে উলিপুরসহ পুরো কুড়িগ্রাম-৩ আসনের ভোটারদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা বলছেন, জনপ্রিয় ও যোগ্য প্রার্থীকে মাঠের বাইরে রাখার চেষ্টা গণতন্ত্রের পরিপন্থী। অনেকেই এটিকে পরিকল্পিতভাবে একটি পক্ষকে সুবিধা দেওয়ার অপচেষ্টা হিসেবে দেখছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যদি দ্রুত এই সিদ্ধান্তের পুনর্বিবেচনা না করা হয়, তাহলে নির্বাচনকে ঘিরে জনআস্থার সংকট আরও গভীর হতে পারে। এখন দেখার বিষয়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেয়।
##গোলাম মোস্তফা ##
০১৭১৭৪৩৬২৮৯
:গোলাম মোস্তফা।
কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহীর মনোনয়নপত্র অবৈধভাবে বাতিল করায় এলাকায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া ও জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ ভোটারদের পাশাপাশি রাজনৈতিক সচেতন মহল এ সিদ্ধান্তকে রহস্যজনক ও পক্ষপাতদুষ্ট বলে মনে করছেন।
প্রাপ্ত তথ্যমতে, সকল আইনগত শর্ত ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করে ব্যারিস্টার সালেহী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এরপরও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্ত আসে, যা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে।
এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী বলেন,
“আমি সম্পূর্ণ আইন মেনে, প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র সংযুক্ত করে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। তারপরও আমার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। এতে মনে হচ্ছে ডিসি মহোদয় হয় বিষয়টি সঠিকভাবে অনুধাবন করতে পারেননি, অথবা কারো প্রভাবে বায়াস হয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।”
তিনি আরও বলেন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত নির্বাচনী পরিবেশকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ওপর মানুষের আস্থা নষ্ট করে। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানান।
এদিকে উলিপুরসহ পুরো কুড়িগ্রাম-৩ আসনের ভোটারদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা বলছেন, জনপ্রিয় ও যোগ্য প্রার্থীকে মাঠের বাইরে রাখার চেষ্টা গণতন্ত্রের পরিপন্থী। অনেকেই এটিকে পরিকল্পিতভাবে একটি পক্ষকে সুবিধা দেওয়ার অপচেষ্টা হিসেবে দেখছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যদি দ্রুত এই সিদ্ধান্তের পুনর্বিবেচনা না করা হয়, তাহলে নির্বাচনকে ঘিরে জনআস্থার সংকট আরও গভীর হতে পারে। এখন দেখার বিষয়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেয়।
##গোলাম মোস্তফা ##
০১৭১৭৪৩৬২৮৯