
ভূরুঙ্গামারীতে রাষ্ট্রীয় শোক শেষ হলেও উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে অর্ধনমিত জাতীয় পতাকা।
মোহাম্মদ কামরুল হাসান কাজল, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে রাষ্ট্রীয় শোক দিবস শেষ হওয়ার পরেও উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত অবস্থায় উত্তোলিত থাকতে দেখা গেছে। এতে স্থানীয়দের মাঝে সমালোচনা ও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার ( ০৩ জানুয়ারি ) বিকেল আনুমানিক ৪ ঘটিকায়
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপির চেয়ারম্যান পার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয়ভাবে ঘোষিত ৩ দিনের শোকের সময়সীমা শেষ হলেও সরকারি কলেজ রোডস্থ উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা যথানিয়মে পূর্ণ উচ্চতায় উত্তোলন করা হয়নি। রাষ্ট্রীয় বিধি অনুযায়ী শোক দিবস শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় পতাকা স্বাভাবিকভাবে উত্তোলন করার নিয়ম থাকলেও তা মানা হয়নি বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সচেতন মহল জানান, দেশের গুরুত্বপূর্ণ কোন ব্যক্তি মারা গেলে রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক ঘোষনা করা হয়। দুঃখ প্রকাশ ও সমবেদনা জানাতে শোকের সময় অর্ধনমিত রাখা হয় জাতীয় পতাকা। কিন্তু শোকের মেয়াদ শেষে এটি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা আবশ্যক।
নতুবা এটি শোকের আনুষ্ঠানিকতাকে গুরুত্বহীন করে তোলে। শোক শেষ হওয়ার পরেও অর্ধনমিত থাকলে তা সরকারি নির্দেশনা অমান্য করা হয় এবং এটি জাতীয় প্রতীক নিয়ে অসচেতনতা বা অবহেলাকে নির্দেশ করে বলে মনে করছে সচেতন মহল।
এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, বিএনপির চেয়ার পার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়। নির্দেশনা দেওয়া হয় জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার কিন্তু রাষ্ট্রেীয় শোকের প্রথম দিনে উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা পূর্ণ মাত্রায় উত্তোলন করা হয়।
সমালোচনার মুখে জাতীয় পতাকা ঠিক করে অর্থনমিত ভাবে টানানো হয়। কিন্তু রাষ্ট্রীয় শোক শেষ হওয়ার পরেও তাদের দলীয় কার্যালয়ে আজ জাতীয় পতাকা অর্থনমিত রাখা হয়েছে।
জাতীয় পতাকা রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও সর্বোচ্চ সম্মানের প্রতীক। রাজনৈতিক দল বা যে কোনো প্রতিষ্ঠানের উচিত রাষ্ট্রীয় নিয়মকানুন যথাযথভাবে অনুসরণ করে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা।
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলা উদ্দিন মন্ডল জানান, বিষয়টি অনিচ্ছাকৃতভাবে ঘটেছে। যথাযথ মর্যাদায় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের জন্য আমি এখনি সদস্য সচিব শহিদুলকে বলতেছি।